ফিশ সেফটি এবং গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন
ফিড ছাড়া মাছ চাষ, ৩ মাসে মাছের ওজন হবে ২ কেজির বেশি ।
মাছ চাষিদের সফলতার গল্প
ফিড ছাড়া মাছ চাষ, ৩ মাসে মাছের ওজন হবে ২ কেজির বেশি
ফিশ সেফটি এবং গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন কেন ব্যবহার করবেন?
- একজন মাছ চাষী সাধারণত ফিডের উপর নির্ভরশীল , ফিড ব্যবহারের ফলে মাছের আশানুরূপ গ্রোথ আসে না । মাছ বিক্রির টাকায় ফিডের দাম হয় না । ফলে মাছ চাষীর লস হয় । যদি ফিশ সেফটি এবং গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন ব্যবহার করা হয় তাহলে ফিড প্রয়োজন নেই । মাছ চাষী শতভাগ লাভবান হবে ।
- ফিশ সেফটি এবং গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন ব্যবহার করলে ৩ মাসে মাছের ওজন ৪ কেজির বেশি হয় । তিন মাসের মধ্যে আর কোন খাবার দিতে হবে না সাদা মাছের ক্ষেত্রে ।
- ফিশ সেফটি এবং গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন ব্যবহার করলে মাছের কোন প্রকার রোগ আক্রান্ত হয় না , কোন প্রকার সার, লবণ, চুন ,পটাশ,জীবাণুনাশক, বা অন্য কোন ঔষধ তিন মাসের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে না । মাছ থাকবে সুস্থ আপনি থাকবেন চিন্তা মুক্ত ।
- পানির দ্রবীভূত গ্যাস কমায় । অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়। পানিতে প্লান্টন তৈরি করে । পানির পিএইচ ও অ্যামোনিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখে । পানি ও মাটি দূষণ মুক্ত রাখে । মাছের রোগ বালাই দমন করে । পুকুরের পরিবেশ মাছ চাষের উপযোগী করে তোলে । মাছ স্বাভাবিক থেকে ৬০ % বেশি বড় হবে । ৭০% খাবার কম লাগবে ।
- পুকুরে তিন স্তরে খাবার তৈরি করে , পানির তলদেশে বা কাদামাটিতে, পানির উপরে এবং মধ্য স্তরে । যার ফলে আপনাকে আর অতিরিক্ত খাবার দিতে হবে না ।
- সকল প্রকার মাছ চাষে, যে কোন সময় ব্যবহার করা যায় ।
- যে কোন সময় মাছ চাষ সম্পর্কে জানতে কল করুনঃ 01911-080876 অথবা 01716-152592
ফিশ সেফটি এবং গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন ব্যবহার বিধিঃ
- প্রথম ডোজঃ ( ফিশ সেফটি )
- প্রতি শতক জলাকারে 100 গ্রাম ফিশ সেফটি (Fish safety) পানিতে ভাল করে মিশিয়ে পুরো পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে ।
- ২য় ডোজঃ তিন দিন পরে (গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন)
- প্রতি শতক জলাকারে 100 গ্রাম গ্রোথ চ্যাম্পিয়ন (Growth Champion ) পানিতে ভাল করে মিশিয়ে পুরো পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে ।
- তিন মাসের মধ্যে আর কোন কিছু ব্যবহার করতে হবে না ।